বাল্যবিয়ে নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নেই বলে মনে করেন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের সিরাজগঞ্জ কার্যালয়ের উপপরিচালক কানিজ ফাতেমা।

হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে বাল্যবিয়ের কারণ, নেতিবাচক প্রভাব এবং তা প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।

হ্যালো: আপনার মতে বাল্যবিয়ের সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক কী কী?

কানিজ ফাতেমা: বাল্যবিয়ে একটি শিশুর জীবনে অভিশাপ ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের দেশে যেসব শিশু বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে তাদের দিকে তাকালে আমরা দেখব তাদের বেশিরভাগই আর স্কুলে যেতে পারেনি। অনেকে নানা স্বাস্থ্যগত জটিলতায় ভুগেছে। সবচেয়ে বড় কথা তাদের জীবন থেকে শৈশবটাই নষ্ট হয়ে গেছে।

হ্যালো: বাল্যবিয়ে বন্ধে আপনার প্রতিষ্ঠান কীভাবে ভূমিকা রাখছে?

কানিজ ফাতেমা: একটি কন্যা শিশুর ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত রাখতে হলে তাকে অবশ্যই বাল্যবিয়ে থেকে দূরে রাখতে হবে। সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ জেলায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কিশোর-কিশোরীর সহযোগিতায় প্রায় ৯০টি ক্লাব রয়েছে। এসব ক্লাব বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে কাজ করছে। একই সঙ্গে ইউনিসেফের অর্থায়নে পিভিএইচপি প্রকল্পের ৩৫টি হাব রয়েছে যেখানে যেকোনো বয়সী শিশু এবং শিশুর পরিবারের সদস্যরা আসেন। এর মাধ্যমে তারা শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, যৌন হয়রানিসহ সামাজিক সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

হ্যালো: আপনার মতে বাল্যবিয়ে বন্ধে কোন ধরনের কার্যক্রম সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন?

কানিজ ফাতেমা: আমি বিশ্বাস করি, আমরা প্রত্যেকে যদি নিজেদের জায়গা থেকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারি তাহলে নিশ্চয়ই একদিন সমাজ থেকে বাল্যবিয়ে দূর হবে।

প্রতিবেদকের বয়স: ১৩। জেলা: সিরাজগঞ্জ।

Facebook Comments Box