জানুয়ারিতে সৌদি আরবে এশিয়ান কাপ হওয়ার কথা। এ নিয়ে এখন নানা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে সৌদি আয়োজকেরা জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট ‘সূচি অনুযায়ীই’ চলছে।
সম্প্রতি সৌদি আরবে হুথিদের হামলা বেড়েছে। এরপরই টুর্নামেন্ট নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এশিয়ার শীর্ষ ফুটবল কর্মকর্তা এ সপ্তাহে বলেছেন, প্রতিযোগিতা ২০২৮ সালে পিছিয়ে যেতে পারে। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ‘তাড়া নেই’ বলেও তিনি জোর দিয়েছেন।
২০২৭ সালের এশিয়ান কাপ শুরু হওয়ার কথা ৭ জানুয়ারি। খেলা হবে সৌদি আরবের জেদ্দা, রিয়াদ ও আল খোবার শহরে।
বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় আয়োজক কমিটি একটি বিবৃতি দেয়। সেখানে বলা হয়, ‘টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি সূচি অনুযায়ীই আছে। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় করে এই কাজ চলছে।’
সম্প্রতি হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সৌদির যুদ্ধ নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। এ কয়েক দিনে সৌদি আরবে একটানা হামলা হয়েছে। এর ফলে দেশটির ঘরোয়া ফুটবলের কয়েকটি ম্যাচসহ বেশ কিছু ক্রীড়া আয়োজন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এশিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটি জানায়, তারা প্রস্তুতি ঠিক পথে রাখতে বদ্ধপরিকর। কমিটির ভাষ্য, ‘আয়োজক দেশ হিসেবে সৌদি আরবের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও মান প্রতিফলিত হয়, এমন একটি টুর্নামেন্ট উপহার দিতে প্রয়োজনীয় সম্পদ যেন থাকে, তা নিশ্চিত করা হবে।’
কমিটি আরও বলেছে, ‘একই সঙ্গে টুর্নামেন্টের সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনাপ্রবাহ নজরে রাখা হবে। সফল আয়োজনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ যেন থাকে, সেটিও নিশ্চিত করা হবে।’
বুধবার এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করা যেতে পারে। তিনি বলেন, ‘প্রয়োজন হলে আমরা এক বছর পিছিয়ে ২০২৮ সালে নিয়ে যেতে পারি। তবে এখন আমরা পরিস্থিতি নজরে রাখছি এবং সবকিছু সূচি অনুযায়ীই আছে।’
সংগৃহীত: বিভিন্ন সংবাদসূত্র থেকে সংগৃহীত।



মন্তব্য করুন