পাসপোর্ট ও ভিসা থাকা সত্ত্বেও নেপাল যেতে পারেননি বাংলাদেশের তিন তরুণী রিফা তামান্না, সোহানি ইসলাম সমাপ্তি ও নাজনীন। তাঁদের অভিযোগ, গত ৮ আগস্ট বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা বিদেশযাত্রায় বাধা দেন এবং তাঁদের অবিবাহিত হওয়া ও সঙ্গে কোনো পুরুষ না থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তিন তরুণীর দাবি, তাঁরা প্রাপ্তবয়স্ক, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই এবং নেপাল ভ্রমণের বিষয়ে পরিবারের সম্মতিও ছিল। এরপরও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের বাধার কারণে তাঁদের নির্ধারিত ভ্রমণ বাতিল হয়।
ঘটনার পর তাঁরা বিমানবন্দরে অভিযোগ করেন। অভিযোগের কোনো জবাব না পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। তাতেও সাড়া না পাওয়ায় তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হন।
তিন তরুণীর পক্ষে আইনজীবী ইশরাত হাসান সংবিধানে স্বীকৃত নাগরিকের চলাফেরার স্বাধীনতা ও আইনের দৃষ্টিতে সমতার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে।
এই ঘটনায় অবিবাহিত নারীর বিদেশ ভ্রমণের অধিকার এবং বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং আদালতে বিষয়টির পরবর্তী শুনানিতে কী তথ্য উপস্থাপন করা হয়, তা থেকে ঘটনার পূর্ণ চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।
ঘটনাটি নারীর চলাফেরার স্বাধীনতা, সমান অধিকার এবং বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ২৪



মন্তব্য করুন